ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার ৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে
ad728

করোনায় মিনিটে ৭, ক্ষুধায় ১১ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার: The Daily Moon
করোনায় মিনিটে ৭, ক্ষুধায় ১১ জনের মৃত্যু
ছবির ক্যাপশন: করোনায় মিনিটে ৭, ক্ষুধায় ১১ জনের মৃত্যু

গত বছরের তুলনায় এ বছর বিশ্বে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিতে পড়া মানুষের সংখ্যা ছয় গুণ বেড়েছে। ক্ষুধায় বিশ্বে এক মিনিটে গড়ে ১১ জনের মৃত্যু হচ্ছে বলে নতুন এক রিপোর্ট প্রকাশ করে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা অক্সফাম।

শুক্রবার প্রকাশিত ‘দ্য হাঙ্গার ভাইরাস মাল্টিপ্লাইস’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। তারা বলছে, বিশ্বে করোনায় রোজ যত মানুষ মারা যাচ্ছে, এর চেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে ক্ষুধায়। করোনায় যেখানে মিনিটে ৭ জনের মৃত্যু হচ্ছে সেখানে ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে ১১ জন।

গত বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে অক্সফাম সতর্ক করে বলেছিল, করোনার প্রাদুর্ভাব বিশ্বের ক্ষুধা সংকটকে আরও খারাপ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। করোনার সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিরূপ প্রভাবে সৃষ্ট ক্ষুধায় প্রতিদিন ১২ হাজার মানুষ মারা যেতে পারে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুনের মাঝামাঝি সময়ে ইথিওপিয়া, মাদাগাস্কার, দক্ষিণ সুদান আর ইয়েমেনে দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে তীব্র পর্যায়ে পড়া মানুষের সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ৮১৪। গত বছরের ৮৪ হাজার ৫০০ এর চেয়ে যা ৫০০ শতাংশ বেশি।

মহামারির প্রাদুর্ভাব ও এর ফলে সৃষ্ঠ অর্থনৈতিক পরিণতির কারণে ইয়েমেন, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি), আফগানিস্তান এবং ভেনেজুয়েলাসহ এমন অনেক দেশে বিদ্যমান খাদ্য সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

অক্সফামের আমেরিকার আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী আবি ম্যাক্সম্যান বলেন, পরিসংখ্যান বিস্ময়কর, তবে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এই পরিসংখ্যান তৈরি হয়েছে অকল্পনীয় দুর্ভোগের মুখোমুখি ব্যক্তিদের নিয়ে। সংখ্যাটা একজন হলেও অনেক।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300