ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর ত্বকের সুবাস নাকি নিঃশ্বাসের টান, মশা কেন আপনাকেই খোঁজে
ad728

টিকা দিয়ে মেডিকেল কলেজ খোলার পরিকল্পনা, প্রয়োগ শুরু ২৫ মে

The Daily Moon
রিপোর্টার: The Daily Moon
টিকা দিয়ে মেডিকেল কলেজ খোলার পরিকল্পনা, প্রয়োগ শুরু ২৫ মে
ছবির ক্যাপশন: টিকা দিয়ে মেডিকেল কলেজ খোলার পরিকল্পনা, প্রয়োগ শুরু ২৫ মে

চীন থেকে পাঠানো পাঁচ লাখ টিকা দুই ডোজ হিসেবে আড়াই লাখ মানুষকে দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার। মেডিকেল শিক্ষার্থীদের এই টিকা দিয়ে কলেজ খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। দেশে আবারও করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে যাতে এই শিক্ষার্থীদের হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর সেবায় কাজে লাগানো যায়, মূলত সেই উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।- খবর কালের কণ্ঠের

পরিকল্পনা অনুসারে আগামী মঙ্গলবার থেকে দেশের ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের এবং আরো কিছু কেন্দ্রে এই টিকার প্রয়োগ শুরু হবে। এদিকে করোনাভাইরাসের টিকার সংকট কাটাতে নানামুখী উদ্যোগের বড় ধরনের সুফল মিলতে পারে আগামী মাসে। একাধারে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কয়েক ধরনের টিকা দেশে আসার পথ খুলেছে বলে জানিয়েছে টিকাসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকাদান কার্যক্রমের পরিচালক ডা. শামসুল হক বলেন, চীনের উপহারের টিকা থেকে ৩০ হাজার দেওয়া হবে দেশে থাকা চীনা নাগরিকদের। দেড় লাখ দেওয়া হবে সরকারি সব মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের। এ ছাড়া আগে বাদ পড়া স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও এখান থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা পাবেন।

তিনি বলেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে কলেজ খুলে দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে। কারণ, যদি আবারও করোনার সংক্রমণ বেড়ে যায়, তবে তখন ওই শিক্ষার্থীদের আমরা হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর সেবায় কাজে লাগাতে পারব। বাকি টিকা আসার পর সেগুলো কিভাবে দেওয়া হবে তা ঠিক করা হবে।

টিকাসংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সূত্র মতে, আগামী মাসের শুরুতেই কোভ্যাক্স থেকে এক লাখ ৬২০ ডোজ ফাইজারের টিকা এসে পৌঁছবে দেশে। এর সঙ্গে চীনের উপহারের আরো ছয় লাখ ডোজ টিকাও কাছাকাছি সময়ে এসে যাবে। আর এর চেয়ে বড় সুখবর হয়ে আসতে পারে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। ভারতের সেরামে উৎপাদিত টিকা পেতে দেরি হলেও মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে একাধারে ৫০ লাখ ডোজের বেশি অক্সফোর্ডের টিকা দেশে আসার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

এর মধ্যে কোনোটি আসবে বিনা মূল্যে, আবার কোনোটি কিনে আনতে হচ্ছে সরকারিভাবেই। পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও কিছু টিকা দেশে নিয়ে আসার জন্য এরই মধ্যে একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও উদ্যোগ নিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও আগের তুলনায় অনেকটাই জোরালো যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও এ ক্ষেত্রে আগের তুলনায় বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, চীনের টিকা প্রয়োগ শুরু করবো ২৫ মে থেকে। এই টিকা আমরা দিচ্ছি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের। ইতোমধ্যেই আমাদের চিকিৎসক নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দেওয়া শেষ হয়েছে। এখন বাকি আছে শিক্ষার্থীরা।

টিকা কমিটির একাধিক সূত্র জানায়, চীনের উপহারের টিকার পাশাপাশি কয়েক লাখ ডোজ কেনা টিকাও আগামী মাসের মধ্যেই দেশে আসার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কোভ্যাক্স থেকে ফাইজারের এক লাখ ডোজ ছাড়াও অক্সফোর্ডসহ আরো একটি কম্পানির কিছু টিকা আগামী মাসের শেষে বা জুনের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে দেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কারণে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দেশে চলমান অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে উৎকণ্ঠায় না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. রোদে আমিন বলেন, সরকারি নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই ১২ বা ১৬ সপ্তাহ পর টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে। তবে বিভিন্ন দেশে পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, ১২-১৬ সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ দিলে কার্যকরিতা বেশি পাওয়া যায়। ফলে যাঁরা প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের সবার জানা দরকার যে তাঁদের মূল সুরক্ষার জায়গাটি তৈরি হয়ে গেছে। ৮০ শতাংশেরও বেশি সুরক্ষাবেষ্টনী তাঁদের শরীরে রয়েছে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় ডোজ বুস্টার হিসেবে কাজ করবে। ১২ সপ্তাহ না ১৬ সপ্তাহ পর দেওয়া হলো, সেটা কোনো উদ্বেগের বিষয় নয়। কোনো কোনো টিকা আছে, এক বছর পরে দিলে আরো ভালো কাজ করে। তবে আমাদের হাতে যখনই টিকা আসবে আমরা তখনই দিতে পারব। এমনকি দ্বিতীয় ডোজ না পেলেও যে প্রথম ডোজের কার্যকরিতা থাকবে না, সেটাও কিন্তু নয়।

ad728
মন্তব্য করুন
ad600