ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর ত্বকের সুবাস নাকি নিঃশ্বাসের টান, মশা কেন আপনাকেই খোঁজে
ad728

পাহাড়ে বৈসাবির উৎসবে করোনার ধাক্কা

The Daily Moon
রিপোর্টার: The Daily Moon
পাহাড়ে বৈসাবির উৎসবে করোনার ধাক্কা
ছবির ক্যাপশন: পাহাড়ে বৈসাবির উৎসবে করোনার ধাক্কা

পাহাড়ি সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’। চৈত্র সংক্রান্তিতে বাংলা পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে এই উৎসব পালন করা হয়। প্রতিবছর এই সময়ে বৈসাবির আমেজে পাহাড়ি জনপদে, পাড়ায় পাড়ায়, ঘরে ঘরে পাহাড় মুখরিত হয়ে থাকে।

আগামী সোমবার (১২ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে পাহাড়ের প্রধান এই সামাজিক উৎসব। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে জাঁকজমকভাবে হচ্ছে না এবারের বৈসাবি উৎসব। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে উৎসব পালনের প্রস্তুতি চলছে।

এই উৎসবের অন্যতম দিক হলো ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, নৃত্যগীত, অতিথি আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সংস্কৃতিকে লালন ও পালন করা। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাবে গত বছরও বৈসাবি উৎসব ম্লান হয়ে পড়েছে । তবে এই বছর উৎসবে বাড়তি আয়োজনে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের আশা ছিল পাহাড়ের বাসিন্দাদের।

ত্রিপুরাদের ভাষায় বৈসু, মারমাদের ভাষায় সাংগ্রাই এবং চাকমা ভাষায় বিজু ও তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বিষু নামে এই উৎসবকে আখ্যায়িত করা হয়। আর সম্মিলিতভাবে তাদের এই প্রাণের উৎসবকে ‘বৈসাবি’ বলা হয়ে থাকে। উৎসবের প্রথম দিন চাকমারা ফুলবিজু, দ্বিতীয় দিন মূলবিজু, তৃতীয় দিন গোজ্যেপোজ্যে দিন।

মারমারা প্রথমদিন পাইংছোয়াই, দ্বিতীয় দিন সাংগ্রাইং আক্যা, তৃতীয় দিন সাংগ্রাইং আপ্যাইং। ত্রিপুরাদের প্রথম দিন হারিবৈসুক, দ্বিতীয় দিন বৈসুকমা, তৃতীয় দিন বিসিকাতাল নামে এই উৎসব পালন করে। এভাবে প্রত্যেক বছর আনন্দ-উৎসবে পালিত হয়ে আসছে উৎসবটি।

এদিকে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে এবার বৈসাবির র‌্যালি, ফুল ভাসানো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন স্থগিত করেছে বৈসাবি উদযাপন কমিটি। তারপরেও পুরাতন বছরের বিদায় ও নববর্ষবরণের কেনাকাটা, ঘরবাড়ি সাজানো ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসব পালনের প্রস্তুতি চলছে।

বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ করে জানা গেছে, প্রতিটি এলাকায় বৈসাবির আমেজ পেয়েছে। গত বছর করোনার কারণে বৈসাবি ম্লান হয়ে পড়েছে। তবে এবার ঘরোয়া পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে বৈসাবি উৎসবের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া শহর এলাকার চেয়ে গ্রামাঞ্চলে করোনা প্রভাব নেই বললে চলে। তবে আমরা সবসময় সতর্ক।

গ্রাম প্রধান ধর্মসিদ্ধী চাকমা বলেন, প্রতিবছর আমরা জাঁকজমকভাবে বিজু পালন করি। কিন্তু গতবছর করোনার কারণে তেমন জাঁকজমক হয়নি। এ বছরও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। তবে গ্রামাঞ্চলে করোনার প্রভাব কম। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের বিজুর প্রস্তুতি চলছে। বিজুর দিনে ছোট ছেলেমেয়েরা ঘুরবে, অন্তত তাদের জন্য হলেও বিজুর আয়োজন করতে হচ্ছে।

বৈসাবি উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টুমণি তালুকদার বলেন, প্রতিবছর আমরা উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশে এই উৎসব পালন করি। কিন্তু করোনার প্রভাব ও সরকারি নির্দেশনায় জনসমাবেশ হবে এমন অনুষ্ঠান আমরা স্থগিত করছি। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যে যার অবস্থান থেকে ঘরোয়া পরিবেশে উৎসব পালনের প্রস্তুতি চলছে।

ad728
মন্তব্য করুন
ad600