ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর ত্বকের সুবাস নাকি নিঃশ্বাসের টান, মশা কেন আপনাকেই খোঁজে
ad728

প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

The Daily Moon
রিপোর্টার: The Daily Moon
প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
ছবির ক্যাপশন: প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

একুশ তথা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সুষ্ঠুভাবে পালনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। এরইমধ্যে শহীদ মিনার ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে। রং করা হয়েছে মূল বেদিসহ সংলগ্ন এলাকা। রাস্তার পাশের দেওয়ালে শোভা পাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা গান, কবিতা ও স্লোগান।

এদিকে করোনা মহামারির কারণে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি উদযাপনের জন্য বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় লোকসংখ্যা নির্দিষ্ট ও মাস্ক পরাসহ বেশ কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়েছে। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন ও শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে ভাবগম্ভীর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার বিকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পরিদর্শনে যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রাষ্ট্রাচার অনুযায়ী একুশের প্রথম প্রহরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিমূল প্রস্তুত করা হয়েছে। এ সময় উপাচার্য বিগত বছরগুলোর মতো এবারও মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পালনে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

রাতে শহীদ মিনার এলাকায় দেখা যায়, অমর একুশে উদযাপনের প্রস্তুতির প্রায় ৭০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রায় দেড়শ স্বেচ্ছাসেবী আল্পনা আঁকার কাজ করছেন। এর আগে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে বেদি ও এর আশপাশের স্থানসমূহ। নিরাপত্তা নিশ্চত করতে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী মোতহার হোসেন ভবনের সামনে র‌্যাব, পুলিশ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। যেখান থেকে সিসিটিভির মাধ্যমে সমগ্র এলাকাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতিতে জনসমাগম এড়াতে এ বছর সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫ জন এবং ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২ জন একসঙ্গে শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সবাইকে অবশ্যই যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পলাশী মোড় থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত রাস্তায় ৩ ফুট পর পর চিহ্ন থাকবে। এই চিহ্ন অনুসরণ করে সবাই পর্যায়ক্রমে শহীদ মিনারে যাবেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বিভিন্ন প্রবেশপথে স্বেচ্ছাসেবকরা হ্যান্ডমাইক দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে প্রচার চালাবেন।

সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে অমর একুশে উদ্যাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়কারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ বলেন, আমাদের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। টুকিটাকি কাজ বাকি আছে; যেগুলো আমাদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। যেমন দূরত্ব বজায় রাখার জন্য যে দাগ দিতে হবে সেটা আমরা এখন দিতে পারব না, কারণ এর জন্য রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ করতে হবে। তাই এটা শনিবার বিকাল ৫টার দিকে করব। শহীদ বেদিতে প্রাথমিক রং করার কাজ শেষ হয়েছে। চূড়ান্ত রং শনিবার করতে হবে। কারণ কয়েকদিন আগে রং করলে এর ওপর ধুলা ময়লা পড়ে যায়। এছাড়াও ঘোষণা মঞ্চের শামিয়ানা টানানো হয়ে গেছে। এখন টেবিল-চেয়ার বসালেই হবে। অতিথিদের অপেক্ষা করার জন্য আমরা খেলার মাঠে বসার ব্যবস্থা করব। কারণ বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে এবার আমরা জিমনেশিয়ামে ভিড় করতে চাচ্ছি না।

করোনার কারণে প্রস্তুতিতে কোনো প্রভাব পড়ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কোনো সমস্যায় পড়ছি না। সব ধরনের প্রস্তুতি রাখছি। মহামান্য রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার প্রটোকল অফিসার ফুল দেবেন বলে চিঠি পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। আর স্পিকারের পক্ষ থেকে তার প্রোটকল অফিসার পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন।

নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে আমাদের প্রচুর জনসমাগম হয়েছে। করোনার কারণে এবার জনসমাগম বেশি হবে না বলে মনে হয়। তারপরও পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক (বিএনসিসি, রোভার স্কাউট) থাকবেন। আর রাষ্ট্রীয়ভাবে ল-ইনফোর্সমেন্ট এজেন্সি থাকবে। তারাও বিগত বছরগুলোর মতোই প্রস্তুতি নিয়েছে।

ad728
মন্তব্য করুন
ad600