ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি : প্রধানমন্ত্রী সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার ৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না
ad728

মারা গেলেন ‘৩০২ কেজি’ ওজনের মাখন মিয়া

রিপোর্টার: The Daily Moon
মারা গেলেন ‘৩০২ কেজি’ ওজনের  মাখন মিয়া
ছবির ক্যাপশন: মারা গেলেন ‘৩০২ কেজি’ ওজনের মাখন মিয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার দক্ষিণ মৌড়াইলের বাসিন্দা ৩০২ কেজি ওজনের মাখন মিয়া। অস্বাভাবিক ওজন নিয়ে অবশেষে জীবনযুদ্ধে হেরে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৪০) বছর।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বাবার নাম মিলন মিয়া।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মাখন মিয়ার ওজন প্রথমে স্বাভাবিক থাকলেও পরে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। মৃত্যুকালে তার ওজন ছিল ৩০২ কেজি। অস্বাভাবিক এই ওজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটিয়ে ছিল মাখন। অবশেষে ওজনের কারণে জীবনযুদ্ধে হেরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

মাখনের পিতা মিলন মিয়া জানান, গত কয়েক দিন যাবৎ মাখন শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগ ভুগছিলেন। গত ২০ বছর বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিকই ছিল মাখন। তারপর হঠাৎ তার শারীরিক গঠন বাড়তে থাকে। সে সঙ্গে তার শরীরের ওজনও অস্বাভাবিক বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত তার ওজন ৩০২ কেজিতে গিয়ে দাঁড়ায়। ছেলেকে সুস্থ করার জন্যে চিকিৎসাও করেছেন একাধিকবার, কিন্তু অস্বাভাবিক ওজনের কারণে ব্যাহত হচ্ছিল চিকিৎসা। তার চিকিৎসাব্যয় বহন করতে গিয়ে এখন নিঃস্ব তার পরিবার। দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে আর্থিক কষ্টে বেঁচে থাকাই ছিল কষ্টকর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন মৃত্যু নিশ্চিত করে জানান, সোমবার রাতে মাখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। তার ওজনের কারণে হাসপাতালের ভেতরে জরুরি বিভাগে ঢোকানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতালের গেটেই তাকে চিকিৎসা দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, মাখনের শ্বাসকষ্ট সমস্যা ছিল। তার বুকে ব্যথা ছিল। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

২০১৭ সালে গণমাধ্যকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাখন মিয়া তার দুঃসহ জীবনের দুঃখগাথা তুলে ধরে বলেছিলেন, ‘যহন প্রেসারটা একটু লো অইয়া যায় তখন খালি খিদা লাগে। সামনে যা পাই তাই খাইতাম ইচ্ছা করে। খাওন শেষ অয় কিন্তু আমার পেডে খিদা থাহে। অত খাওন আমি পামু কই। পেডে খিদা থাকলে আবার শরীর খারাপ লাগে।’

কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেলেছিলেন মাখন মিয়া। চোখ মুছতে মুছতে বাঁচার আকুতি জানালেন বারবার। নিজের চিকিৎসা ও খাবার খরচ জোগানোর জন্য সবার সহযোগিতাও কামনা করছিলেন।

অবশেষে সব কিছুর ঊর্ধ্বে চলে গেলেন মাখন মিয়া।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300