ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার ৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে
ad728

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আন্দোলনে শিক্ষকদের সংহতি

রিপোর্টার: The Daily Moon
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আন্দোলনে শিক্ষকদের সংহতি
ছবির ক্যাপশন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আন্দোলনে শিক্ষকদের সংহতি

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক হলসমূহ খুলে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকালে (৩০ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে একই দাবিতে ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল ও ফার্সি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু মুসা মোহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ।

সমাবেশে অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, দেশে অফিস-আদালত, গার্মেন্টস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন, শপিংমল সবই খোলা আছে, কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ কেন? আমি অনেক ভেবে দেখেছি, এর কারণ মূলত দুটি। একটি হলো, সরকারের মধ্যে থাকা বৈষম্যের নীতি। সরকারে যারা আছেন, তাদের অধিকাংশের সন্তান বিদেশে থাকে। যাদের পরিবার-পরিজনের কোন অসুবিধা হয় না। কিন্তু সমস্যা মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানদের। এদের প্রতি তাদের কোন মাথাব্যথা নাই। আজকে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, হাজার হাজার প্রাইমারি স্কুল বন্ধ আছে। তাদের প্রতি ক্ষমতাসীনদের যে নিষ্ঠুর আচরণ, সেটা বাংলাদেশের সংবিধানে যে সাম্যের নীতি আছে, সেটার সাথে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, 'ক্যাম্পাস বন্ধ রাখার আরেকটি কারণ হলো, আমরা জানি 'শিক্ষাই হলো জাতির মেরুদণ্ড'। কিন্তু দেশের সরকারের কাছে 'শাসনই হলো জাতির মেরুদণ্ড'। তাই শাসনকার্যের জন্য যা প্রয়োজন, সেটা হলে তাদের সমস্যা নাই। সমস্যা হচ্ছে রাজনীতি নিয়ে, শিক্ষা নিয়ে। এই দুটিকে বন্ধ রাখতে পারলে সরকার নিরাপদ থাকে।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে আসিফ নজরুল বলেন, 'তিনি বলছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে নাকি কোন চাপ নেই। শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। সেই চিন্তা থেকে আপনাকে চাপ দিতে হবে! এটি কি পলিটিক্যাল ইস্যু?'

ফার্সি বিভাগের শিক্ষক আরিফ বিল্লাহ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার ব্যাপারে সরকার যেভাবে কঠোর, দেশের অন্যান্য যেসকল জায়গা রয়েছে, যেখান থেকে করোনা ছড়াতে পারে সেই সকল জায়গার ব্যাপারে সরকার এভাবে কঠোর কিনা? কিছুদিন আগে লক্ষ লক্ষ মানুষ ফেরিঘাট দিয়ে পার হয়ে সারা দেশে গেল। সামাজিক দূরত্ব নেই। সীমান্ত যথাসময়ে বন্ধ করা হয়নি। সবকিছু খোলা রেখা শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, ৫ শতাংশের নিচে যখন সংক্রমণ আসবে, তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবকিছু যেভাবে খোলা আছে তাহলে তো ৫ শতাংশের নিচে কোনো দিন আসবে না। তাহলে তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনদিন খোলা হবে না।

গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ এই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনসমূহ। তবে এখন পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। রবিবারের সমাবেশে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১৮ জন শিক্ষক সংহতি প্রকাশ করেছেন বলে জানান আন্দোলনের সমন্বয়ক ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ মাহমুদ।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300