ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর ত্বকের সুবাস নাকি নিঃশ্বাসের টান, মশা কেন আপনাকেই খোঁজে
ad728

জুতা দেখে ছেলের লাশ চিনলেন মা

The Daily Moon
রিপোর্টার: The Daily Moon
জুতা দেখে ছেলের লাশ চিনলেন মা
ছবির ক্যাপশন: জুতা দেখে ছেলের লাশ চিনলেন মা

রাজধানীর ভাটারা থেকে প্রায় দেড় মাস আগে সাদমান সাকিব রাফি (২৩) নামের এক তরুণ নিখোঁজ হন। গত ১৩ জানুয়ারি তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে আর না ফেরায় পরিবার ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। ১৪ জানুয়ারি হাতিরঝিল লেক থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত ১১ ফেব্রুয়ারি আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম বেওয়ারিশ হিসেবে লাশ দাফন করেছে। আর গত সোমবার বিকেলে পরিহিত জুতা দেখে ছেলের পরিচয় শনাক্ত করেন মা মনোয়ারা হোসেন।

মনোয়ারা হোসেন গতকাল মঙ্গলবার বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই রাফির মোবাইলে ফোন করতেন। গত ২৮ জানুয়ারি ওর সিমটি চালু পাওয়া যায়। এক নারী ফোন রিসিভ করে জানান, হাতিরঝিল এলাকায় ঝাড়ু দেওয়ার সময় তিনি সিমটি কুড়িয়ে পেয়েছেন। দুই ঘণ্টা পর সিমটি আবার বন্ধ পান তিনি।

পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ওই নারীর অবস্থান শনাক্ত করে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে রাফির বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঝাড়ুদার ওই নারী জানান, তিনি রাফি নামের কাউকে চেনেন না। এরপর নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে মনোয়ারা হোসেন নিজেই হাতিরঝিলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। গত সোমবার তিনি ছেলের ছবি হাতে হাতিরঝিলে আসেন। সেখানে পথচারী ও ফেরিওয়ালাদের রাফির ছবি দেখিয়ে তিনি জানতে চান কেউ তাঁর ছেলেকে দেখছে কি না। এই কাজে পুলিশের সাহায্য নিতে তিনি হাতিরঝিল থানায়ও যান। তখন পুলিশ তাঁকে জানায়, ১৪ জানুয়ারি তারা হাতিরঝিলে অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণের মরদেহ পেয়েছে। গত ১১ ফেব্রুয়ারি ওই লাশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে দাফন হয়ে গেছে।

মনোয়ারা হোসেন বলেন, ‘পুলিশ আমাকে ছবি দেখায়। লাশটা পানিতে ছিল, ফুলে গিয়েছিল। তার পরও ছবিতে কিছুটা মিল পাওয়া যায়। এরপর আমাকে জুতা দেখায়। জুতা দেখেই আমি চিনতে পারি, এটা আমার ছেলের। পুলিশের ধারণা ছিল, আমার ছেলে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিতে গেছে। অথচ ১৩ জানুয়ারি আমার ছেলে

আল্লাহর কাছে চলে গেছে। আমি বারবার বলেছি, আমার ছেলে জঙ্গি হতে পারে না। আমার ছেলে আত্মহত্যাও করবে না। আমার ছেলেকে কারা কেন হত্যা করল, সেটা আমার প্রশ্ন।’

মনোয়ারা হোসেনের দাবি, ‘হাতিরঝিলে এক পাশে লাশ পাওয়া গেছে, অন্য দিকে সিম পড়ে ছিল। সিম চালুর কথা জানানোর পরও প্রশাসন খুঁজে দেখেনি। আমার ছেলের সিম কিভাবে হাতিরঝিল এলাকায় গেল? রাফির তেমন বন্ধু ছিল না। ঢাকা শহরও সে ভালোমতো চিনত না।’

তিন ভাই-বোনের মধ্যে রাফি সবার ছোট। তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তিন বছর আগে রাফি মালয়েশিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আসার পর করোনা পরিস্থিতির কারণে আর ফিরে যেতে পারেননি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই শাহজাহান বলেন, মনোয়ারা হোসেন তাঁর ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেছেন। এখন পরবর্তী তদন্ত হবে।

ad728
মন্তব্য করুন
ad600