ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর ত্বকের সুবাস নাকি নিঃশ্বাসের টান, মশা কেন আপনাকেই খোঁজে
ad728

পোপের শেষ ইচ্ছা

The Daily Moon
রিপোর্টার: The Daily Moon
পোপের শেষ ইচ্ছা
ছবির ক্যাপশন: পোপের শেষ ইচ্ছা

পোপ ফ্রান্সিসের শেষ ইচ্ছা তিনি যেন রোমের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার নিজের মাটি অর্জেন্টিনায় তিনি ফিরতে চান না। এনডিটিভি সূত্রে খবর, দ্য হেল্থ অফ পোপ নামে একটি বইতে এ বিষয়ে লেখা হয়েছে। আর্জেন্টিনার এক সাংবাদিক নেলসন কাস্ত্রো তার একটি ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন।

পোপ জানিয়েছেন, তিনি নিজের মৃত্যু নিয়ে চিন্তা করছেন, তবে মৃত্যুকে তিনি ভয় পান না। নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে ফ্রান্সিস বলেছেন, তার বর্তমান বয়স ৮৪। তিনি পোপের পদে থেকেই মরতে চান। তবে তিনি রোমেই মরবেন। তিনি আর্জেন্টিনা ফিরবেন না।

ফ্রান্সিস ইতিমধ্যেই তার বেশ কয়েকটি সফর বাতিল করেছেন। তার শরীরে বেশ কয়েকটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফলে চিকিৎসক তাকে যেকোনও রকম সফর করতে বারণ করেছে। তবে ভ্যাটিকান পোপের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সর্বদাই ওয়াকিবহাল ও সতর্ক। ইতিহাসে এই প্রথম একজন পোপ তার নিজের সম্পর্কে এত খোলা মনে কথা বলছেন।

তবে পোপের এহেন সিদ্ধান্তে কিছুটা হলেও নাখোশ আর্জেন্টিনার বাসিন্দারা। তারা পোপকে তাদের গর্ব হিসেবে দেখেন। তার জীবনের শেষ অংশ যদি তিনি তাদের সঙ্গে থাকেন তবে তারা খুশি হতেন। তিনি নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়ার ফলে তারা কিছুটা হলেও হতাশ।

তবে নিজের সিদ্ধান্তে অটল পোপ ফ্রান্সিস। তার মতে, দেশের মানুষ তাকে ভালবাসলেও তিনি বিশ্বের সকলের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান। পোপ ফ্রান্সিসকে ইতিমধ্যে করোনার টিকা দেয়া হয়েছে। পোপের এই সিদ্ধান্ত একান্ত ব্যক্তিগত হলেও তাকে মেনে নিতে পারেনি আর্জেন্টিনার বাসিন্দারা।

ad728
মন্তব্য করুন
ad600