ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার ৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে
ad728

ভারত টিকা দিতে যত দেরি করবে, বিদ্বেষ ততই বাড়বে

রিপোর্টার: The Daily Moon
ভারত টিকা দিতে যত দেরি করবে, বিদ্বেষ ততই বাড়বে
ছবির ক্যাপশন: ভারত টিকা দিতে যত দেরি করবে, বিদ্বেষ ততই বাড়বে

নাঈমুল ইসলাম খান: ভারত বর্তমানে করোনা সংক্রমণের মহাদুর্যোগ মোকাবিলা করছে, এই কথা সত্য, এজন্য আমরা অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। কিন্তু করোনা ইমারজেন্সি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনের তাৎক্ষনিক ও সরাসরি কোনো কার্যকর ভূমিকা নেই। অর্থাৎ ভ্যাকসিন দিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের করোনা সংকট দূরীভূত হবে না। কারণ ভ্যাকসিনের প্রভাব তাৎক্ষনিক নয়, সুদূরপ্রসারি। কারণ ভ্যাকসিন প্রতিষেধক নয়, প্রতিরোধক।

ভারত আমাদের কেনা টিকা সরবরাহ যতো দেরি করবে, ভারতের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের বিরক্তি ও বিদ্বেষ ততোটাই বাড়বে।

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সময়কালে ভারত বাংলাদেশ হৃদ্যতা ও ঘনিষ্ঠতা যতোটুকু বেড়েছে সেটা স্বল্প সময়ে দুঃখজনকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এই টিকা ভারতে উৎপাদিত, কিন্তু উদ্ভাবিত নয়। এটা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত এবং ব্রিটিশ ওষুধ প্রস্তুতকারি (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) প্রতিষ্ঠানের মালিকানায়। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। অগ্রিম মূল্য পরিশোধিত, চুক্তিবদ্ধ।

এখানে উল্লেখ্য, এই টিকা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ছাড়াও আরও ৬টি দেশে ‘আন্ডার লাইসেন্স ফ্রম অ্যাস্ট্রাজেনেকা’ উৎপাদিত হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধের পর যখন ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক সবচেয়ে নৈকট্যে, তখন ভারতের এই অপ্রয়োজনীয় ও অনাকাক্সিক্ষত নিষেধাজ্ঞায় ভ্যাকসিন বাংলাদেশে না আসলে দুদেশের সম্পর্ক সমাধানের জন্য কঠিন সংকটে নিপতিত।

আমরা যতোদূর জানি, সেরাম ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশের জন্য তৈরি একটি চালান পাঠানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। আমাদের অনুরোধ আর দেরি না করে ভ্যাকসিন সরবরাহ শুরু করুন। সেরাম একটি বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের টাকা নিয়েছে এবং চুক্তিবদ্ধ। এভাবে বেসরকারি চুক্তিতে হস্তক্ষেপ করলে আঞ্চলিক নেতা হওয়ার যোগ্যতায় ভারতের অনেক ঘাটতি দেখা দেবে।

আমরা ভ্যাকসিন উপহার চাই না, নিজেদের কেনা ভ্যাকসিন সময়মতো আমাদের পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠা চাই।

আমরা যারা দশকের পর দশক বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনর্নির্মাণে অনেক মেধা, শ্রম, ঘাম, বিনিয়োগ করেছি, কিছুতেই চাই না দুই প্রতিবেশির সম্পর্ক আবার সংকটের গভীর খাদে নিপতিত হোক।

লেখক: সম্পাদক, দৈনিক আমাদের নতুন সময়

ad728
মন্তব্য করুন
ad300