ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর ত্বকের সুবাস নাকি নিঃশ্বাসের টান, মশা কেন আপনাকেই খোঁজে
ad728

রাস্তা ছাড়াই দুটি সেতু, যা জানা যাচ্ছে

The Daily Moon
রিপোর্টার: The Daily Moon
রাস্তা ছাড়াই দুটি সেতু, যা জানা যাচ্ছে
ছবির ক্যাপশন: রাস্তা ছাড়াই দুটি সেতু, যা জানা যাচ্ছে

রাস্তা নেই, আছে দুটি সেতু। হা ঠিক এমন ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে টাঙ্গাইলের ফলদা ইউনিয়ন। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ফসলি জমির মাঝখানে রাস্তা ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে আছে দুটি সেতু। ফলদা ইউনিয়নের ফলদা দক্ষিণ পাড়া এলাকায় রাস্তা ছাড়াই নির্মিত হয়েছে একটি সেতু। এ ছাড়া একই রাস্তার দিঘুলিয়াপাড়া এলাকায় আরেকটি সেতু রাস্তা ছাড়া দাঁড়িয়ে আছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর জানান, কৃষিপণ্য পরিবহন ও এলাকা মানুষের যাতায়াতের জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলার ফলদা দক্ষিণপাড়া থেকে ফলদা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ রাস্তায় চলাচলের জন্য এটি নির্মাণ করা হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু-কালভার্ট কর্মসূচির আওতায় ১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ১১ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা ব্যয় হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে নির্মিত হওয়া সেতুটির দুই পাশে এখনো কোনো রাস্তা নির্মাণ করা হয়নি। ফলে সেতুটি ওই অঞ্চলের মানুষের চলাচলের কোনো কাজেই আসছে না।

দিঘুলিয়াপাড়ায় রাস্তা ছাড়া দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি

তবে দিঘুলিয়াপাড়ার আরেকটি সেতুর তথ্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কাছে জানতে চাইলে তারা তা দিতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন আগে সেখানে সেতু নির্মাণ করা হলেও এখন পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করা হয়নি। ফলে সেতুটি অকেজো পড়ে আছে। এ ছাড়া সেতুর দুই পাশের অ্যাপ্রোচেও মাটি ফেলা হয়নি। এতে ভ্যান বা সাইকেল নিয়ে সেতু পারাপার করা যায় না। এ ছাড়া দিঘুলিয়াপাড়া এলাকায় আরেকটি সেতুর দুই পাশে মাটি ফেলা হয়নি। রাস্তাও নেই দুই পাশে।

উপজেলার ফলদা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু বলেন, সেতুর দুই পাশের রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রকল্প তৈরি হলেও স্থানীয়দের, বিশেষ করে সেখানকার জমিদাতারা মাটি না দেওয়ায় রাস্তা করা সম্ভব হয়নি। আবার রাস্তা নির্মাণ বন্ধে সেখানকার মানুষজন আদালত থেকেও নিষেধাজ্ঞার আদেশ নিয়ে আসেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, সেতুর দুপাশে রাস্তা ছিল। তবে রাস্তাটি দেবে গেছে। পুনরায় সেখানে রাস্তা তৈরিতে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সেতুর রাস্তা তৈরির কাজ শুরু করা হবে।

ad728
মন্তব্য করুন
ad600