ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চালু হচ্ছে ২০ ঘণ্টার বিরতিহীন ফ্লাইট, কী আছে এই বিমানে হিজাব ছাড়া গান, ইরানি গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ এই ব্রাজিল আর শেষ বিশ্বজয়ী ব্রাজিলে অনেক মিল, তবে কি আসছে হেক্সা গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জনগণের দুয়ারে দুয়ারে যাবে খেলাফত মজলিস স্টিভ উইটকফকে সুইজারল্যান্ড পাঠালেন ট্রাম্প, আরাঘচিও যাচ্ছেন ৬ দিনের সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন
ad728

হিজাব ছাড়া গান, ইরানি গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ

রিপোর্টার: The Daily Moon
হিজাব ছাড়া গান, ইরানি গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ
ছবির ক্যাপশন: পারাস্তু আহমাদি
অশ্লীল ও অনৈতিক কনটেন্ট’-এর অভিযোগ এনে ইরানি গায়িকা পারাস্তু আহমাদিকে কঠোর শাস্তি দিয়েছে দেশটির আদালত। তিনি এবং তার দলের আট সদস্যকে ৭৪টি করে দোররা মারা হবে।

এছাড়াও গায়িকাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কোম প্রদেশের একটি আদালত।

ঘটনা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের। ইউটিউব লাইভে ‘আজ খুনে জাভানানে ওয়াতান’ শিরোনামের একটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন ২৯ বছর বয়সী পারাস্তু। এ সময় তিনি হিজাব ছাড়াই পারফর্ম করেন। গানটি সে সময় হয়েছিল ভাইরাল। কিন্তু ওই কনটেন্টটিকেই ‘অশ্লীল’ আখ্যা দিয়েছে ইরানের আদালত।

গান প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যেই পারাস্তু ও তার কয়েকজন সতীর্থকে আটক করে ইরানের প্রশাসন। পরে তারা মুক্তি পেলেও আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলার রায়েই দোররা ও নিষেধাজ্ঞার মতো শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন বলছে, এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমালোচনা হচ্ছে।

মানবাধিকার ও সংস্কৃতিকর্মীরা বলছেন, এই রায় কেবল একটি আইনি সিদ্ধান্ত নয়, বরং ভিন্নমত ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতাকে দমনের একটি উদাহরণ। তাদের মতে, সরকারের সমালোচনামূলক অবস্থানে থাকা শিল্পীদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ ইরানে দীর্ঘদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’-এর অ্যাডভোকেসি পরিচালক বাহার ঘান্দেহারি বলেন, ‘শুধু গান গাওয়া এবং হিজাব ছাড়া উপস্থিত হওয়ার কারণে একজন শিল্পীকে ৭৪ দোররা মারার সাজা দেওয়া অত্যন্ত কঠোর ও উদ্বেগজনক। এটি ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।’

অন্যদিকে, ইরানি অ্যাক্টিভিস্টদের আইনি সহায়তাদানকারী সংস্থা ‘দাদবান’-এর মানবাধিকার আইনজীবী মইন খাজায়েলির মতে, এই রায়ের কোনো স্পষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। ইরানের প্রচলিত আইনে নারীদের গান গাওয়া বা সংগীত পরিবেশন করাকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে এসব কর্মকাণ্ডকে ‘অশ্লীল কনটেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করা আইনের অপপ্রয়োগ।

এ ঘটনায় ইরানি-ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাজানিন বোনিয়াদি, নির্বাসিত ইরানি অভিনেত্রী সেতারেহ মালেকিসহ অনেকেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
ad728
মন্তব্য করুন
ad300