ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার ৪৮ রানে ৭ উইকেট হারাল পাকিস্তান, ওয়ারিকানের স্পিন–ঘূর্ণি রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের উপাচার্য এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কলেজ কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে
ad728

২৮ বছর ধরে নখ কাটেন না অরুন

রিপোর্টার: The Daily Moon
২৮ বছর ধরে নখ কাটেন না অরুন
ছবির ক্যাপশন: ২৮ বছর ধরে নখ কাটেন না অরুন

নিছক ভালো নাগার কারণে দীর্ঘ ২৮ বছর নখ কাটেন না অরুন। শখের বসে কাজটি করেছেন তিনি। নখের প্রতি অনন্য ভালোবাসার কাজটি করেছেন অরুন কুমার সরকার (৩৬) নামে এ যুবক।

অরুন কুমার দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের স্কুলশিক্ষক রবীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে।

অরুন জানান, ২৮ বছর আগের কথা। ১৯৯৩ সালে আমি তখন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। বয়স মাত্র ৮ বছর। সে সময় কয়েক সপ্তাহ নখ না কাটায় শিক্ষক নখ কাটার কথা বলেন। তখন হাতের নখ না কেটে রেখে দেন। আর এভাবেই ধীরে ধীরে নখ বড় হতে থাকে।

নখ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতি এক ধরনের ভালোবাসা জন্মায়। এরপর থেকে আর নখ কাটেননি। লোকমুখে শুনে অরুনের এই নখ এক নজর দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেকেই তার দোকানে আসেন।

অরুন কুমার সরকার বলেন, হঠাৎ করেই শখের বসে হাতে নখ রাখা। তেমন কোনো সমস্যা হয় না। নখগুলোর প্রতি অনেক ভালোবাসা জন্মেছে। সে কারণে নখগুলো আর কখনো কাটব না। নখের কারণে এখন আমার কোনো কাজে অসুবিধা হয় না।

তিনি আরও জানান, প্রথম প্রথম বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজন নখ রাখার ব্যাপারে বাধা দিলেও পরে তারাও তা মেনে নেন। তিনি বিয়ে করেছেন। তার ঘরে কান্না নামে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। মেয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজারে কান্না ডিজিটাল ফটোস্টুডিও তৈরি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা শ্রী অমলেশ কুমার জানান, অরুন কুমারের নখের প্রতি যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন এটি এখন বিরল। তার নখ দেখতে মানুষ ভিড় করেন। অরুন বিশ্বের বুকে নাম তোলার মতো কাজ করেছেন।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300