ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বজন হারানো ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও গাজায় সেরা শিক্ষার্থী সাবা রাবাহ ‘ভেঙে পড়েছেন’ এমি, ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবনা আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তান মনে করে শিক্ষা দিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ক্ষতিকর কনটেন্ট না দেখানোর আইন কতটা মানছে ইউটিউব, কারা ঝুঁকিতে স্বর্ণের দাম কমছে কেন, আরও কত কমতে পারে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা, উত্তরে বাড়ছে তিস্তার পানি সঙ্গীকে দেওয়া সেলিব্রিটি ‘সেক্স পাস’ কি আদৌ ভালো ধারণা বন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি, আছে স্বাস্থ্যবিমার সুযোগ মৃত্যুর পরও মানুষ আপনাকে কেন মনে রাখবে খামেনি হত্যার প্রতিশোধের তালিকায় শীর্ষ ১৩ নেতা, প্রথমেই ট্রাম্প ইংল্যান্ডের সঙ্গে ৫ দেখায় ৩ হার, আর্জেন্টিনার লড়াই কতটা কঠিন তীব্র গরমে নারীরা কেন পুরুষের চেয়ে বেশি ভোগেন চীনের জিয়াংসি প্রদেশের সরকারি বৃত্তি, বয়সসীমা ২৫ বছর ঘুমে ঝাঁকুনি অনুভব হয় কেন, হিপনিক জার্ক কি বড় কোনো রোগ বৃষ্টির দিনের জনপ্রিয় গান কক্সবাজারে বানের পানির স্রোতে ভেসে গেছে দুই শিশু গাজা ইস্যুতে বার্নহামের ক্ষমাপ্রার্থনা, যুক্তরাজ্যের নীতিতে কি বদল আসছে জিমের নতুন ট্রেন্ড ইএমএস ওয়ার্কআউট আসলে কতটা কার্যকর ত্বকের সুবাস নাকি নিঃশ্বাসের টান, মশা কেন আপনাকেই খোঁজে
ad728

২৮ বছর ধরে নখ কাটেন না অরুন

The Daily Moon
রিপোর্টার: The Daily Moon
২৮ বছর ধরে নখ কাটেন না অরুন
ছবির ক্যাপশন: ২৮ বছর ধরে নখ কাটেন না অরুন

নিছক ভালো নাগার কারণে দীর্ঘ ২৮ বছর নখ কাটেন না অরুন। শখের বসে কাজটি করেছেন তিনি। নখের প্রতি অনন্য ভালোবাসার কাজটি করেছেন অরুন কুমার সরকার (৩৬) নামে এ যুবক।

অরুন কুমার দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের স্কুলশিক্ষক রবীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে।

অরুন জানান, ২৮ বছর আগের কথা। ১৯৯৩ সালে আমি তখন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। বয়স মাত্র ৮ বছর। সে সময় কয়েক সপ্তাহ নখ না কাটায় শিক্ষক নখ কাটার কথা বলেন। তখন হাতের নখ না কেটে রেখে দেন। আর এভাবেই ধীরে ধীরে নখ বড় হতে থাকে।

নখ বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতি এক ধরনের ভালোবাসা জন্মায়। এরপর থেকে আর নখ কাটেননি। লোকমুখে শুনে অরুনের এই নখ এক নজর দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেকেই তার দোকানে আসেন।

অরুন কুমার সরকার বলেন, হঠাৎ করেই শখের বসে হাতে নখ রাখা। তেমন কোনো সমস্যা হয় না। নখগুলোর প্রতি অনেক ভালোবাসা জন্মেছে। সে কারণে নখগুলো আর কখনো কাটব না। নখের কারণে এখন আমার কোনো কাজে অসুবিধা হয় না।

তিনি আরও জানান, প্রথম প্রথম বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজন নখ রাখার ব্যাপারে বাধা দিলেও পরে তারাও তা মেনে নেন। তিনি বিয়ে করেছেন। তার ঘরে কান্না নামে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। মেয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখে উপজেলার লক্ষ্মীপুর বাজারে কান্না ডিজিটাল ফটোস্টুডিও তৈরি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা শ্রী অমলেশ কুমার জানান, অরুন কুমারের নখের প্রতি যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন এটি এখন বিরল। তার নখ দেখতে মানুষ ভিড় করেন। অরুন বিশ্বের বুকে নাম তোলার মতো কাজ করেছেন।

ad728
মন্তব্য করুন
ad600